রাশি ফল

আপনার এই সপ্তাহ

লুই পাস্তুর (ফরাসি অণুজীববিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ) বলেছেন –
“পরমাণুর বিক্রিয়ার মতো জীবনের গতিপথও একটি নিয়ন্ত্রিত বিষয়। উভয়টির গতিই পৃথিবীর গতির সঙ্গে সম্পর্কিত।“
এ কথার বিপরীতে অনেক কথাই আছে, তবে আমরা একটা বিষয় পরিস্কার করে বলতে চাই- মানুষ নিজেই তাঁর ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে অনেকাংশ, বাকি অংশ ভাগ্য বলতে দোষের কিছু নেই…

ক্রিকেট কখনো খেলেছেন?
একবার হয়েছে কি, (আমি তখন এনজিও কর্মী) একটা ট্রেনিং উপলক্ষে গাজীপুরের মাস্টারবাড়ীতে ট্রেনিং কমপ্লেক্স বেশ কয়েকদিন ছিলাম। একদিন বিকালে সকলে মিলে ক্রিকেট খেলছি, আমার হাতে ব্যাট, বল করতেছেন আমার সিনিয়র কলিগ। আমি বেশ আমেজ নিয়ে ব্যাটিং করছি। পর পর দুইটা চার মেরেছি মনে হয়… হঠাৎ করে দেখি সকলে চিৎকার দিয়ে উঠলো। প্রথমে বুঝি নাই, চিৎকারের কারণ! পরে ঘটনার উৎস খুঁজতে পিছনে যখন তাকিয়েছি, দেখি আমার পেছনের স্টাম্প তিনখানা ইয়ে হয়ে আসমানে উড়তেছে… কি বিদিকিচ্ছিরি ব্যাপার!
প্রিয় মেষ, আপনার রাশির ভর হচ্ছে # ৬। ছক্কা মারতে মারতে আগাবেন, জানি। তবে, হৃদয়ঘটিত ব্যাপারে (আমার মত ঘটনা ঘটে) স্টাম্প তিনখানা যদি উড়ে যায় আমাকে গালমন্দ দিয়েন না, প্লিজ। আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা আপনার জন্য আগামী সপ্তাহে বরাদ্দ রইলো।

উড়াল দিয়েন না! আমার মত অতি তুচ্ছ মানুষের কথাটা একটু শোনেন- মদ ছুঁয়ে যেমন পানশালায় সত্য কথা বেড়িয়ে আসে আপনা-আপনি, তেমনি নিজের কাছে বলা প্রতিটা কথাই সত্য! কারণ নিজেকে মিথ্যা বলার কোন অপশন নাই। আমি বলতে চাচ্ছি, আত্মবিশ্লেষণের চর্চা করুন। এরপর যা করবেন, নিজের ভিতরের ভুলগুলো বারবার বিশ্লেষণ করে দেখুন মিথ্যাগুলো আসে এইসব ভুলভ্রান্তির ভিতর দিয়েই। চলুন শুরু করা যাক, অশুদ্ধকে অতিক্রম করে কত জলদি শুদ্ধ হয়ে উঠতে পারি।


মার্কিন কবি ও ছোটগল্পকার এডগার অ্যালান পো তার সাহিত্য জীবনে অনেক ছোটগল্প লিখলেও উপন্যাস লিখেছেন মাত্র একটি — ন্যারেটিভ অব আর্থার গর্ডন পিম ন্যানটাকিট। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৩৮ সালে। এই উপন্যাসের কাহিনী ছিলো সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়ে ৪ নাবিক সমুদ্রে একসাথে পথ হারিয়ে ফেলেন। সেই সাথে খাবারের অভাবে তারা ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েন। নাবিকদের একজন প্রস্তাব করেন তাদের মধ্যে থেকেই একজনকে খেয়ে ফেলার জন্য। এজন্য তারা একটি খেলার প্রস্তাব দেয়। যে সবচেয়ে ছোট দাগ আঁকবে, সে বাকি ৩ জনের খাবার হবে। সেই খেলায় সবচেয়ে ছোট দাগ কাটেন রিচার্ড পার্কার। আর এরপর তার বাকি ৩ জন সহযোগী নাবিক রিচার্ড পার্কারের মাংস খেয়ে ফেলেন। অ্যাডগার অ্যালান পো অবশ্য দাবি করেন উপন্যাসটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত। কিন্তু তখন তাঁর সমসাময়িক কোনো সমালোচক বা পাঠক পোর দাবিকে সত্য বলে মানতে চাননি। কিন্তু অলৌকিকভাবে বই প্রকাশের ঠিক ৫ বছর পর, উপন্যাসের ঘটনার মতো একটি জাহাজডুবি ঘটে। এমনকি ওই উপন্যাসের একটি চরিত্রের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার একজন নাবিকের নামেরও মিল পাওয়া যায়—রিচার্ড পার্কার।

শুধু তাই নয়, পোর মৃত্যুর পর ১৮৮৪ সালে আরেকটি জাহাজডুবির ঘটনা ঘটে এবং পরবর্তীকালে রিচার্ড পার্কার নামের একজনের মৃত্যু হয় নরখাদকদের হাতে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, বহু আগে লেখা ন্যারেটিভ অব আর্থার গর্ডন পিম ন্যানটাকিট–এর রিচার্ড পার্কারের মৃত্যুও হয়েছিল একইভাবে।

প্রিয় মিথুন, এমন অসংখ্য রহস্যময় ঘটনা আছে। আশ্চর্যের ব্যাপার কি জানেন- নিজের চরিদিকে এতো রহস্যময়তা রেখেছেন, অথচ জানেন না, আপনার পাশেই কেউ একজন অধীর অপেক্ষায় আছে এই রহস্যের ভেদ ঘটাতে।


গত সপ্তাহ আপনার ভালো থাকা- না থাকা নিয়ে যতটুকু ভেবেছেন—এ সপ্তাহেও প্রায় তা-ই ভাববেন বলে আমার কাছে মনে হয়।
“ভাবো ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো” (Think, think, practice thinking) – এই উক্তি আমার পরম শ্রদ্ধেয় পরিচালক ঋত্বিক ঘটক’র। কাজেই আপনার ভাবনা নিয়ে আমার কিছুই বলার নেই। তবে যা বলতে চাই, ডিয়ার কর্কট, আপনার রাশির উচ্চারণ অনুযায়ী আপনি যে কটমট নন, এইটা আমিও জানি, আপনিও জানেন। আপনার জন্য কবি জীবনানন্দ দাশ’র চেয়ে ভালো করে বলা আমি শিখি নাই, তাই কবিতাটা পড়ুন-
আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন-কতদিন আমিও তোমাকে
খুঁজি নাকো;- এক নক্ষত্রের নিচে তবু – একই আলো পৃথিবীর পারে
আমরা দুজনে আছি; পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,
প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়
, ”

আজ শুক্তবার, অনেকের ছুটির দিন, অনেকের নয়। যাদের ছুটি, তুমুল ঝড়বৃষ্টিতে একা দাঁড়িয়ে থাকার প্রবল আনন্দ। আনন্দটা প্রবল না হলেও খুব যে একটা কম নয় এমনটা আমার কাছে মনে হয় না। শোনেন, ধন্যবাদ দিতে না চাইলে, না দিয়েন কিন্তু একটা হাসি আমাকে উপহার দিন। গোপনে একটা কথা জানানোর ছিলো- হাসিটা উপহার দিলে বলতে পারি। যাক বলেই দেই-রুশ সাহিত্যিক ফিওদর দস্তয়েভস্কি’র একটা উক্তি আমাকে নাড়া দেয় আপনাকে দিবে কি না জানিনা, তবুও আপনার জন্য –
‘মানব জীবনের একটা রহস্য হলো পুরনো শোক ধীরে ধীরে মৃদু আনন্দ হয়ে ওঠে’।
আপনার আনন্দ ছড়িয়ে যাক- মেঘাচ্ছন্ন আকাশে…


রাণী প্রথম এলিজাবেথের ভয়াবহ রকমের দাঁতের সমস্যা ছিল, যদিও তাঁর যুগের অন্যান্য লোকেদের তুলনায় তার স্বাস্থ সুরক্ষার ব্যবস্থা ছিলো কয়েক যোজন এগিয়ে। তবে তিনি মিছরিযুক্ত ভায়োলেট, চিনির রুটি এবং মারজিপান বেশি পরিমানে আহার করতেন, এই খাবারগুলো তিনি ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দ করতেন। একারণে দাঁতের সমস্যা তাঁর যাচ্ছিলো না। এলিজাবেথ টুথপিক এবং এমনকি মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন ক্ষতি কমানোর জন্য (যার মধ্যে গন্ধরস, দারুচিনি এবং গোলাপজল অন্তর্ভুক্ত ছিল।) দুঃখের বিষয়, সমস্যাটি প্রতিরোধ করার জন্য এটি যথেষ্ট ছিল না। জীবনের শেষ দিকে এলিজাবেথের দাঁত কালো এবং হলুদ হয়ে গিয়েছিল এবং ব্যথার কারণে কিছু দাঁত উপড়ে ফেলে দিতেও হয়েছিল।
আমার প্রিয় কন্যা রাশির জাতক-জাতিকা, যা বলার বলে দিলাম। সাবধান থাকলে সমস্যা দূরে থাকে। ভাবছেন, এইটা জ্যোতিষশাস্ত্রের কথা না! ভাই-সিস্টারেরা আমার, তিরিংবিরিং করে আমার উপর বিরক্ত না হয়ে, পড়ুন-
তুমিই কেবল তোমার রক্ষাকর্তা, অন্য কেউ নয়।” গৌতম বুদ্ধ


১৯৩৮ ফুটবল বিশ্বকাপের আগে ইতালির সে সময়ের শাসক বেনিতো মুসোলিনি নাকি বলেছিলেন ‘ভিনসেরে ও মরিরে’। ইতালির ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার কী মিল! ‘মরিরে’ মানে যে ‘মরিবে’, এ তো না বলে দিলেও চলছে। ১৯৩৮ বিশ্বকাপের আগে রোম থেকে এমনই সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিরাট হুমকি বয়ে নিয়ে একটি তারবার্তা পৌঁছেছিল প্যারিসে। হিটলারের আশীর্বাদধন্য মুসোলিনির এমন ‘প্রেরণাদায়ী’ বার্তা পেয়েই কিনা সেবার ফাইনালে হাঙ্গেরিকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ইতালি, প্রথম দল হিসেবে জিতেছিল টানা দ্বিতীয় শিরোপা। ওই ম্যাচের পর হাঙ্গেরির গোলরক্ষক আনতল জাবো নাকি বলেছিলেন, ‘আমি হয়তো চারটি গোল খেয়েছি; কিন্তু বিনিময়ে বাঁচিয়ে দিয়েছি অনেক প্রাণ।’

আপনি হেরে গিয়ে, কারো প্রাণ যদি বাঁচিয়ে দেন তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে! এই বিজয়ের মালা আপনারই দিকেই। আপনাকে জানাই অগ্রিম অভিনন্দন।


ধরেন আপনি সমুদ্র সৈকতে আরাম কেদারায় শুয়ে অস্তমিত সূর্য দেখছেন, আর আপনার সামনে পরে আছে ঝকঝকে উজ্জ্বল সাতটা নুড়ি পাথর। আপনার হয়ে আমি ঐ সাতটি নুড়ি পাথরের নাম রেখে দিলাম- শনি, রবি,সোম, মঙ্গল,বুধ এবং বৃহস্পতি। এবার আপনি যেটা করলেন- সামান্য ঝুঁকে নুড়ি পাথরগুলো নিরীক্ষা , অনেক নিরীক্ষা করে দেখলেন একটা পাথরে একচিমটি বেদনা মেশানো একচিলতে স্মৃতি। খারাপ লাগছে? জেনে রাখুন-
ব্যথার সৌন্দর্য, কেবল ক্ষণস্থায়ীই নয়… এটি আপনাকে বলে দেয় কখন আপনি আপনার স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজেকে যথেষ্ট পরিমাণে বিলিয়ে দিতে শুরু করেন।” – আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার

আপনার মুচকি –মুচকি হাসি দেখে আমার ভালো লাগছে, প্রিয় বৃশ্চিক! এই হাসি দেখতে, আমি এমন অনেক জীবন তুচ্ছ করে দিতে পারি (আমি না দেই, অন্য কেউ একজন দিবে, তাই উনার হয়ে আমি বলে দিলাম)


আমার জীবনের নাম রেখেছি ‘রেলগতির জীবন’! থামতে চাইলে বড় জোর স্বল্প ক্ষণ! বেশী সময় থামলে সকলেই বিরক্ত হয়ে যায়। ধীর থেকে দ্রুত, দ্রুত থেকে দ্রুততর এবং কখনো হয়তোবা পুনরায় মন্থর হয়েছে আমার পথচলা, কেউ ভালোবেসে বলেনি- “থেকে যা/যাও
মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি নিজেই কি স্থিরতা চেয়েছি? এ প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে যেমন নেই, জানি ব্যর্থ হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর কাছেও নেই। তাই অনেক সময় সফল হওয়া মানুষের কাছে গল্প শুনি- স্থির হবার গল্প, সফল হবার গল্প, ভালোবাসার আশ্রয়ে থেকে যাবার গল্প। সে সব গল্প শুনে আমার কেবলি মনে হয়-
মুখের কথা একলা হয়ে
রইল পড়ে গলির কোণে
ক্লান্ত আমার মুখোশ শুধু
ঝুলতে থাকে বিজ্ঞাপনে’। – শঙ্খ ঘোষ

ডিয়ার, ধনু! No চিন্তা, Do ফুর্তি! বৈঠা ধরে মারো টান, হেঁইয়ো-হেঁইয়ো…
বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত নয়, যাচাই করে চলুক এই পথ চলা…


বিজ্ঞান বলছে – মন মানে মস্তিষ্কের কেমিক্যাল কনসার্ট
আমাদের ‘মন’ বলে যেটাকে আমরা জানি, সেটি মূলত মস্তিষ্কের রাসায়নিক, বিদ্যুৎ তরঙ্গ ও স্মৃতির এক জটিল মহাযন্ত্রণা।
মন ভালো থাকার পেছনে যে চারজন মূল কারিগর কাজ করেন, তাদের নাম- ডোপামিন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন আর এন্ডোরফিন। এই চার রাসায়নিককে বলা হয় ‘হ্যাপিনেস ককটেল’।
ডোপামিন হলো আমাদের পুরস্কার ও আনন্দের অনুভূতি। আমরা কোনো কাজ সফলভাবে শেষ করলেই ডোপামিনের গর্জন শোনা যায়।
সেরোটোনিন নিয়ন্ত্রণ করে মেজাজ ও ঘুম। এর অভাবে তৈরি হয় বিষণ্নতা।
অক্সিটোসিনকে বলা হয় ‘ভালোবাসার হরমোন’। ছুঁয়ে থাকা, বন্ধুত্ব, আস্থা—এসব থেকে জন্ম নেয় এটি।
এন্ডোরফিন তৈরি হয় ব্যায়াম বা হাসির মাধ্যমে। এটি শরীরের প্রাকৃতিক ব্যথানাশক।
এই চার রাসায়নিকের ভারসাম্য নষ্ট হলেই আমরা বলি, ‘কেন জানি মনটা ভালো লাগছে না।’
মানে দাঁড়ায়, প্রেমে প্রত্যাখ্যান হোক বা রিকশাওয়ালার সঙ্গে তর্ক— এগুলো মস্তিষ্কে হ্যাপিনেস ককটেলের রেশিও গুবলেট করে দেয়। ফলে আমাদের ভেতরে একধরনের ভারমুক্ত শূন্যতা তৈরি হয়।
প্রিয় মকর, কোন এক সকালে চায়ের কাপ যে ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, কোন রসায়ন শাস্ত্রে? এ সপ্তাহ ভাবুন আর যাই করুন, আপনাকে ভারমুক্ত করতে আপনি নিজেই যথেষ্ট!


স্বপ্নের কোন রঙ নেই। স্বপ্ন যদি রঙিন হয় তাহলে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় আধাচেতন মস্তিস্কের কল্পনা। আমি স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেই না’। এ কথা বলার সাথে সাথে একজন আমাকে প্রায় মারতে উদ্যত হয়েছিলেন।
তিনি খুব কাছের একজন মানুষ। স্বপ্নে দেখেছিলেন- তার প্রাক্তন তাকে খুব আদর করছেন। এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা তিনি তার বন্ধুর কাছে চেয়েছিলেন। যথাযথ মনে হয়নি সে ব্যাখ্যা, তাই আমার কাছে জিজ্ঞাসা করতেই, আমি প্রায়ই তাকে প্রশ্ন করে বসছিলাম- স্বপ্নে আপনার প্রাক্তন যখন আদর করছিলেন তখন আপনাদের গায়ে কি কাপড় চোপড় ছিলো? আশে পাশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ননা দেন।
ভাগ্যিস প্রশ্নটা করি নাই। নিজেকে সামলে নিয়ে, উপরের কথাগুলো বলেছি। পরের ঘটনাতো শুনলেন, এমন পরিস্থিতিতে আমি যেটা করি সেটাই করেছি। কি করি? সেটা গোপন থাক! কোন একদিন জানবেন…
প্রিয় কুম্ভ, চলতি সপ্তাহে যাকে যা বলার স্পষ্ট করে বলুন।


অধ্যাপক ডাঃ শেখ মো. নাজমুল হাসান আমার পছন্দের মানুষদের একজন। উনার সবচেয়ে বড়গুণ উনি প্রচন্ডরকম পড়ুয়া মানুষ, সাথে বিজ্ঞান মনস্ক। উনি যখন জানলেন আমি রাশিফল লিখছি , সেটা উনি পড়েছেন! এমন বিজ্ঞানময় মানুষ রাশিফল পড়ে আমাকে যা বলেছেন- শুনে আমি থ মেরে গেছি। আপনাদের কাছে না বলি- লজ্জা লাগছে! গোটা বাংলাদেশের মধ্যে যে কয়েকজন ‘গড গিফটেড ’ মেধাবীদের আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি অধ্যাপক সাহেবের পুত্র তাদের মধ্যে একজন। সে বাংলাদেশে থাকে না! এর পিছনে নানান কারণের মধ্যে একটা কারণ-
এই দেশে মেধার মূল্যায়ন হয় না’- এমন কথা প্রচলিত আছে দেশে। সত্য হোক আর মিথ্যাই হোক এই প্রচলিত কথা, আমরা চাই- আমাদের সন্তানের মেধা এই মমতাময়ী দুঃখিনী দেশটার জন্যই উৎসর্গ হোক, সাথে নিশ্চিত হোক ভালোবাসার অধিকার।
মাই ডিয়ার মীন, আমি বেশীর ভাগ সময় ঘটনা বলি, গল্প বলি, কবিতা বলি, এটা নিয়ে আপনার যদি অভিযোগ থাকতেই পারে। তবে একটা কথা, নানান ঘটনার ভিতর দিয়ে যেতে যেতে মানুষ নিজেকে জানতে শিখে। আমার চাওয়া- আপনার শিশু সুলভ মানুষিকতায় শুধু আমার মুদ্ধতা নয় সকলের মুগ্ধতা আসুক, আসুক আমাদের মমতাময়ী মমতাময়ী দুঃখিনী দেশটার সুনাম।

জেনে রাখা ভালো-
১. জন্ম তারিখ অনুযায়ী ক্ষেত্র বিশেষে রাশি মেলে না (বেশ কিছু হিসাব থেকে যায়)।
২. এখানে রাশিচক্রে আমি ‘সংখ্যা তত্ত্ব-জ্যোতিষ’ পদ্ধতি প্রয়োগের চেষ্টা করেছি।
৩. ভাগ্য অনেক ক্ষেত্রে অনির্দিষ্ট কারণে নিজের গতিপথ বদলাতে পারে এবং করেও।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।